রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য
রাজশাহী রেল স্টেশন সব ট্রেনের তালিকা ও ভাড়ার তথ্য
রাজশাহী রেলস্টেশন ট্রেন তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য জানতে আমাদের এই পোস্টে থাকছে আপনাদের জন্য ট্রেনের সময়সূচি ভাড়ার তালিকা এবং সর্বশেষে আপডেট জানা থাকলে যাত্রা আরো আরামদায়ক ও ঝামেলা মুক্ত হয়।তাই ভ্রমণের আগে রাজশাহী রেলস্টেশনের ট্রেন তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন।
এছাড়াও স্টেশনটিতে টিকিট কাউন্টার ও অনলাইন টিকিট বুকিং সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি প্ল্যাটফর্ম সংক্রান্ত তথ্য ও যাত্রা নির্দেশনাও সহজলভ্য। বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন জাফলং অসংখ্য চাকরির যাতায়াত সহজ করে তোলে।
পেজ সূচিপত্রঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য
- রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য
- রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা
- রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন অনলাইন টিকিট বুকিং নিয়ম
- রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন সকল আন্তঃনগর ট্রেন সময়সূচী
- রেলওয়ে স্টেশন ঢাকা ট্রেনের সময় ও ভাড়া
- রাজশাহী রেলস্টেশন যোগাযোগ নম্বর ও ঠিকানা
- রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন প্লাটফর্ম তথ্য ও নির্দেশনা
- রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন সর্বশেষ আপডেট ও খবর
- রাজশাহী রেলস্টেশন টিকিট কাটার সম্পূর্ণ গাইড
- আজাই রেলওয়ে স্টেশন আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেনের সময়সূচী
- রাজশাহী রেলস্টেশন ঢাকা-চট্টগ্রাম ট্রেনের সময়সূচী
- শেষ কথাঃ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্তিত।স্টেশন আছে টিকিট কাউন্টার আছে পাশাপাশি বিশ্রামাগার ও আছে খাবারের দোকান আছে গাড়ি পার্কিং করার সু ব্যবস্থা করা আছে ১৯৩০ সালে এটি ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে স্টেশন হিসেবে চালু হয়েছিল এবং ২০০৩ সালে মূল ভবন ও সুবিধা পুনরায় উন্নত করা হয়েছে।
এখান থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের জন্য ট্রেন ছেড়ে থাকে।যেমন ঢাকা খুলনা নীলফামারী চিলাহাটি ঈশ্বরদী সিরাজগঞ্জ ও পার্বতীপুর পর্যন্ত যাত্রা করা যায়।কিছু বিখ্যাত আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর মধ্যে আছে রাজশাহী এক্সপ্রেস উত্তরা এক্সপ্রেস তিতুমীর এক্সপ্রেস।
ঢাকা থেকে রাজশাহী রুটে প্রতিদিন বেশ কয়েকটি এক্সপ্রেস ট্রেন চলে যেমন ধূমকেতু এক্সপ্রেস বনলতা এক্সপ্রেস সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস ও পদ্মা এক্সপ্রেস যেখানে প্রতিটি ট্রেনের ছাড়ার সময় এবং ছুটির দিন আলাদা থাকে এই ট্রেনগুলোর মাধ্যমে সাধারণ যাত্রী ছাড়াও এসি টিকিট পাওয়া যায়।
স্থানীয় যাত্রীদেরসুবিধার জন্য রাজশাহীতে কম্পিউটার কেন রয়েছে যা দেশ কাছাকাছি স্টেশনগুলোতে খামে এবং দৈনন্দিন যাতায়াত সহজ করে বাংলাদেশ রেলওয়ে সাধারণত এই স্টেশন থেকে ট্রেনের সময়সূচী ও রোড সম্পর্কে আগাম তথ্যই টিকিটটি স্টেশনের কাউন্টারের মাধ্যমে দিয়ে থাকে।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন ট্রেন সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেমন ঢাকা খুলনা নীলফামারী সিলেট বিভিন্ন রুটে ট্রেনের আদর্শ জাতির পরিবহন করে এবং নিয়মিত সময়ের ট্রেন ছাড়ে। যেমন সিল্ক সিটি এক্সপ্রেস পদ্মা এক্সপ্রেস ধুমকেত এক্সপ্রেস মধুমতি এক্সপ্রেস বনলতা এক্সপ্রেস হল কিছু জনপ্রিয় ট্রেন। ছাড়ার সময় এবং সপ্তাহের বন্ধের দিন আলাদা থাকে।সিটি এক্সপ্রেস সাধারণত সকালে ৭ঃ৪০ টায় তাড়াতাড়ি থেকে ঢাকা যায় এবং দুপুরে পৌঁছায়। মধুমতি এক্সপ্রেস তখন ৬ঃ৪০ টাই ঢাকা উদ্দেশ্য রওনা দেই ও দুপুরে পৌঁছায়। পদ্মা এক্সপ্রেস দুপুরে ৪ঃ০০ টায় ছেড়ে সন্ধ্যায় ঢাকায় পৌঁছায়। রাতের ট্রেন হিসেবে ধূমকেতু এক্সপ্রেস রাত ১১ঃ২০ টায় সাড়ে পরের দিন সকালে ঢাকায় পৌঁছায়।
রাজশাহী থেকে দূরবর্তী স্টেশনে যেমন ছিলাহাটি বা নীলফামারী গামী ট্রেনে ও পাওয়া যায়। যেমন তিতুমীর এক্সপ্রেস সকাল ০৬ঃ০০ টায় রাজশাহী থেকে সিলেটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে দুপুরে পৌঁছায়। বরেন্দ্র এক্সপ্রেস বিকাল ০৩ঃ০০ টায় ছেড়ে রাতে পৌঁছায়। এগুলো ছাড়াও আরো লোকাল ট্রেন থাকে যা বিভিন্ন ছোট স্টেশনে থামে।ট্রেন ভাড়া সাধারণত আসন শ্রেণীর উপবৃত্তি করে পরিবর্তিত হয় ঢাকার রাজশাহী রোডে শোভন চেয়ার সাধারণত শ্রেণীর টিকিট দাম প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা স্নিগ্ধা শ্রেণী ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা আর এসি সিটের ভাড়া কিছুটা বেশি হয়ে থাকে। এসি সিটের ভাড়ার মধ্যে ১৫% ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকে।
রাজশাহী থেকে দর্শনা বা নিকটবর্তী শহরগামী ট্রেনের ভাড়াও কম থাকে যেমন শোভন চেয়ার ভাড়া প্রায় 200 থেকে 300 টাকার মতো । এই রোডগুলোতে সাধারণত ছোট দূরত্বের যাত্রী পরিবহন করা হয় এবং সপ্তাহে নির্দিষ্ট দিনে ট্রেন না চলার বিষয়গুলো থাকে।
টিকেট সাধারণত বাংলাদেশের রেলওয়ে কাউন্টার থেকে বা ই টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে আগে বুক করা হয়। অনলাইনে বুক করলে নির্দিষ্ট আসন ও রোড প্ল্যান করে নেওয়া সহজ হয়। বিশেষ সময় বা ছুটির দিনে পরিবহন পরিকল্পনা করে নিলে যাত্রা আরো ভালো হয়।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন অনলাইন টিকিট বুকিং নিয়ম
বাংলাদেশ রেলওয়ে এখন অনলাইন ই টিকিট সিস্টেম চালু করছে যাতে তুমি ঘরে বসেই মোবাইল বা ল্যাপটপ দিয়ে ট্রেনের টিকিট বুক করে নিতে পারো। এখানে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট লিঙ্ক দেওয়া হল এ লিংক ক্লিক করে তুমি টিকিট সার্চ টিকিট নির্বাচন ও পেমেন্ট করতে পারবে এটি ব্যবহার করলে আমাদের স্টেশনের কাউন্টারের সামনে লম্বা লাইন করে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না।
প্রথম ধাপে তোমাকে ওয়েবসাইটে বা অ্যাপের রেজিস্ট্রেশন লগইন করতে হবে রেজিস্ট্রেশনের জন্য বৈধ মোবাইল নম্বর এবং জাতীয় পরিচয় (NID) বা জন্ম নিবন্ধনের তথ্য প্রয়োজন হয় সঠিকভাবে তথ্য দিলে তোমার একাউন্টে তৈরি হবে এবং সেই অ্যাকাউন্ট দিয়ে যেকোনো সময় একাউন্ট তৈরি করতে পারবেন। এরপর আসবে টেন ও রোড নির্বাচন পারবো না পারবো না। স্টেশনের নাম যাত্রা তারিখ ও সিট ক্লাস সিলেক্ট করে সার্চ করেন। চার্জ রেজাল্ট থেকে তোমার পছন্দের ট্রেন ও আসন নির্বাচন করলে পরবর্তী ধাপে চলে যাবে।
টিকিট বুকিং করার সময় পেমেন্ট গেটওয়ে আছে সেখানে তুমি বিকাশনগর রকেট উপায় বা ডেবিট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে নিরাপদ পেমেন্ট করে দিতে পারবেন পেমেন্ট সফল হলে আপনার এই টিকিট তৈরি হয়ে যাবে এবং আপনার একাউন্টে ইমেইলে এসএমএস এর মাধ্যমে একটি মেসেজ পাঠানো হবে
টিকিট বুকিং এর পরে আপনার এটিকেট মোবাইল দেখে রেল যাত্রী নিরক্ষর কে প্রদর্শন করলে যাত্রা করতে পারবেন। সাধারণত প্রিন্ট করা বাধ্যতামূলক হয় না আগাম টিকিট বুক করার জন্য সাধারণত টিকিট যাত্রার প্রায় ১০ দিন আগে থেকে পাওয়া যায় তাই সময় হাতে নিয়ে বুক করা ভালো অনলাইনে টিকিট বুক করার পর যদি তুমি টিকিট বাতিল করতে চাও সেটা একাউন্টে থেকে করা যায় নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তারপর কিছু সার্ভিস চার্জ কেটে নিয়ে আপনার পেমেন্ট একাউন্টে ফেরত চলে যাবে।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন সকল আন্তঃনগর ট্রেন সময়সূচী
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে কেন্দ্র। এই স্টেশনটি রাজশাহী শহরের অন্যতম প্রবেশদ্বার এবং এটি দেশের বিভিন্ন ফারাক ও আন্তঃনগর ট্রেনের কেন্দ্রবিন্দু। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী স্টেশন থেকে দেশের নানা প্রান্তে যাতায়াত করে থাকেন। রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে বেশ কয়েকটি প্রধান আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস রয়েছে, যেগুলি নিয়মিতভাবে স্টেশনটি ছাড়ে। এর মধ্যে রয়েছে উদাহরণস্বরূপ উত্তরা এক্সপ্রেস রাজশাহী এক্সপ্রেস সিলেট এক্সপ্রেস। প্রতিটি ট্রেনের নির্দিষ্ট সময়সূচী আছে যা যাত্রীদের জন্য নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করে থাকেন।
স্টেশনের ভেতরে সুন্দর ব্যবস্থাপনা রয়েছে যেখানে টিকিট কাউন্টার খাবারের দোকান ওয়েটিং রুম এবং যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার। এছাড়াও স্টেশনটির নীরবতার জন্য সিসি ক্যামেরা ও নিরাপত্তা গার্ড এর ব্যবস্থা করা রয়েছে যা যাত্রীদের স্বস্তি দেয়। রাজশাহী স্টেশন বাংলাদেশের রেলওয়ে নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ লিংক হিসেবে কাজ করে থাকে। এটি ঢাকা খুলনা চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য প্রধান শহরের সাথে সংযোগ স্থাপন করে থাকে ফলে ব্যবসা শিক্ষা ও পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের যোগাযোগ সহজ হয়ে থাকে। সম্পূর্ণভাবে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন একটি স্বপ্নের মত যোগাযোগ ব্যবস্থা যেখানে প্রতিটি ট্রেন যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছানোর একটি নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক পরিবহন নিশ্চিত করে।
স্টেশনটি যাত্রীদের জন্য উন্নত সুবিধা প্রদান করে থাকে যেমন টিকেট কাউন্টার বিশ্রামাগার খাবারের দোকান এসব হাতের কাছে খুব সহজেই পাওয়া যায় যাত্রীদের যাতায়াতকে আরও আরামদায়ক করে তোলে। রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের রেল নেটওয়ার্কের একটি মাইলস্টোন যা দেশের উত্তর অঞ্চলকে অন্যান্য অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে থাকে। এই স্টেশনের গুরুত্ব শুধু যাত্রী পরিবহনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি রাজশাহীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি মূল চালিকাশক্তি।
রেলওয়ে স্টেশন ঢাকা ট্রেনের সময় ও ভাড়া
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে প্রতিদিন একাধিক আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে। এসব ট্রেন মূলত রাজধানীর প্রধান স্টেশন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে পৌঁছে। উত্তরাঞ্চলে যাত্রীদের জন্য এইরূপটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ ব্যবসা শিক্ষা ও চিকিৎসা সহ নানা প্রয়োজনে প্রতিদিন বহু মানুষ এই পথে যাতায়াত করে থাকেন। যাত্রা সময় সাধারণত ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে হয়ে থাকে তবে ট্রেন ভেদে সময়টা কিছুটা কম বেশি হতে পারে।
রাজশাহী থেকে ঢাকা গামী জনপ্রিয় ট্রেন গুলির মধ্যে রয়েছে সিলসিটি এক্সপ্রেস ধুমকেতু এক্সপ্রেস বনলতা এক্সপ্রেস এবং পদ্মা এক্সপ্রেস উল্লেখযোগ্য । কোন ট্রেন ভোরে ছারে আবার কোনদিন দুপুরে বা সন্ধ্যায় যাত্রা করে ফলে যাত্রী নিজেদের সুবিধা মত সময় বেছে নিতে পারেন । সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ট্রেন বেদে আলাদা আলাদা তাই যাত্রার আগে সময়সূচী যাচাই করার গুরুত্বপূর্ণ। ধারার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণী অনুযায়ী আলাদা মূল্য নির্ধারণ রয়েছে । সাধারণত শোভন চেয়ার ভাড়া তুলনামূলকভাবে কম প্রায় সাড়ে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে হতে পারে স্নিগ্ধ এসি ও এসি বার্থ এর ভাড়া ধীরে ধীরে ৭০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে হতে পারে । আরামও সুবিধা যত বেশি ভাড়াও তত বেশি হয়ে থাকে।
টিকিট সংগ্রহের জন্য যাত্রীরা স্টেশন কাউন্টার থেকে সরাসরি টিকিট কিনতে পারেন অথবা অনলাইনে আগাম টিকিট বুকিং করতে পারেন। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে অনলাইন টিকিটিং সুবিধা চালু রেখেছে যার মাধ্যমে ঘরে বসে আসন নিশ্চিত করা যায় । বিশেষ করে ছুটির দিন বা উৎসবের সময় অগ্রিম টিকেট কাটা বুদ্ধিমানের কাজ। সবশেষে বলা যায় রাজশাহী থেকে ঢাকার ট্রেন যোগাযোগ নিরাপদ আরামদায়ক ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী। নির্দিষ্ট সময়ে স্টেশনে উপস্থিত থাকা জাতীয় পরিচয় পত্র সঙ্গে রাখা এবং সর্বশেষ সময়সূচী যাচাই করা আরও সহজ করে তোলে। নিয়মিত আপডেটের জন্য অফিশিয়াল সূত্র দেখে নেওয়াই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
রাজশাহী রেলস্টেশন যোগাযোগ নম্বর ও ঠিকানা
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন। এটি রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ফলে শহরের যে কোন স্থান থেকে সহজেই এখানে পৌঁছানো যায়। স্টেশনটি প্রতিদিন হাজারো জাতির আগমন নির্গমনের মাধ্যমে প্রাণবন্ত হয়ে থাকে। সুনির্দিষ্ট ঠিকানা হলো স্টেশন রোড রাজশাহী সদর রাজশাহী।
স্টেশন সংক্রান্ত তথ্য বা ট্রেনের সময়সূচী জানতে যোগাযোগ নম্বর ব্যবহার করা যায়। সাধারণত স্টেশন মাস্টার বা ইনকোয়ারি অফিসের একটি অফিসিয়াল ফোন নম্বর থাকে যেখানে যাত্রীরা ট্রেনের সময় টিকিট এবং অন্যান্য সেবা সম্পর্কে জানতে পারেন। নম্বর পরিবর্তনশীল হতে পারে তাই সর্বশেষ তথ্য নিশ্চিত করা ভালো প্রয়োজনের সরাসরি স্টেশনে গিয়েও তথ্য নেওয়া যায়।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন পরিচালিত হয় বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে। তাই যে কোন অভিযোগ পরামর্শ বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ের হেল্পলাইন অথবা অফিশিয়াল ওয়েবসাইটেও যোগাযোগ করা সম্ভব। অনলাইন প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে সময়সূচী ও টিকিট সংক্রান্ত আপডেট সহজেই পাওয়া যায়। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি অনেক কমে গেছে পূর্বের তুলনায়।
স্টেশনের আশেপাশে বিভিন্ন পরিবহন ব্যবস্থা রয়েছে যেমন রিক্সা অটো রিক্সা ও সিটি বাস। ফলে বাইরে থেকে আসা যাত্রীরা সহজে স্টেশনে পৌঁছাতে পারেন। স্টেশনে এছাড়াও রয়েছে ভেতরের টিকিট কাউন্টার অপেক্ষাক ও খাবারের দোকানের সুবিধা যা যাত্রাকে আরো স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তোলে।
সর্বশেষে বলা যায় রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন শুধু একটি যাতায়াত কেন্দ্র নয় বরং উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম। সঠিক ঠিকানা ও যোগাযোগ নম্বর জানা থাকলে যে কোন তথ্য দ্রুত পাওয়া যায়। ভ্রমণের আগে ফোনে বাদ অনলাইনে তথ্য যাচাই করে নেওয়াই সবথেকে নিরাপদ ও সুবিধাজনক উপায়।
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন প্লাটফর্ম তথ্য ও নির্দেশনা
রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন উত্তরাঞ্চলের একটি বাস্তব গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে স্টেশন। এখানে একাধিক প্লাটফর্ম রয়েছে যেখান থেকে বিভিন্ন আন্তঃনগর ও মেইল ট্রেন চলাচল করে । প্রতিদিন অসংখ্য যাত্রী এই প্ল্যাটফর্ম গুলো ব্যবহার করেন। স্টেশন কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের সুবিধার্থে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেন ।
স্টেশনে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে ট্রেনের নাম নম্বর ও গন্তব্য সম্পর্কে ডিজিটাল বোর্ডে তথ্য প্রদর্শন করা হয় । ট্রেন আসার আগে মাইকিং এর মাধ্যমে ঘোষণা দেওয়া হয় যাতে যাত্রীরা সঠিক প্ল্যাটফর্মে অবস্থান নিতে পারেন। কখনো কখনো ট্রেনের প্ল্যাটফর্ম পরিবর্তন হতে পারে তাই ঘোষণার দিকে খেয়াল রাখা জরুরী, আগেভাগে স্টেশনে পৌঁছালে এই পরিবর্তনগুলো সহজে সামাল দেওয়া যায়।
প্লাটফর্মে ওঠার আমার জন্য ওভারব্রিজ ও নির্ধারিত পদ ব্যবহার করা উচিত। রেললাইন অতিক্রম করে প্লাটফর্মে যাওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ। শিশু ও বয়স্কদের ক্ষেত্রে বিশেষ সর্তকতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। ভারী লাগেজ থাকলে পুলিবা সহায়তা সেবা নেওয়া যেতে পারে।
নিরাপত্তার জন্য স্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরা ও রেলওয়ে পুলিশ নিয়োজিত রয়েছে। সন্দেহজনক কিছু দেখলে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত। নিজের টিকেট ও ব্যক্তিগত সামগ্রী নিরাপদে রাখার দিকেও খেয়াল রাখতে

প্রয়োজনীয় বিডি 24 নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url